কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ এ ০১:০২ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিনত হওয়ার লক্ষ্যে দারিদ্র্য দূরীকরণে অনুন্নয়ন, বেকারত্ব এবং নিম্ন আয় বাংলাদেশের জন্য গু্রুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ দেশের মোট জনসংখ্যার ৭৬.৬১% লোক গ্রামে বসবাস করে। এই গ্রাম অঞ্চলের জনগণ এখনো জীবন-জীবিকা এবংউন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কাজেই বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গ্রামীণ মানব সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে পল্লী জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, এসডিজি ও ভিশন-২০৪১ অনুযায়ী উন্নত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নারীর ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন দারিদ্র্য বিমোচনমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকান্ডে গ্রামীণ সমাজের দরিদ্র পরিবারের আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নে অর্থের চাহিদা একটি চলমান বাস্তবতা।এজন্য ক্ষুদ্র ঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।বর্তমানে ক্ষুদ্র ঋণের চাহিদার ক্রমহ্রাসমানতার পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SME) চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা সর্বজন স্বীকৃত যে, গ্রামের জনগণকে আয় উৎসারী কার্যক্রমে যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তার মাধ্যমে তাঁদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা প্রয়োজন।
গ্রামীণ দরিদ্র নারী ও পুরুষদের টেকসই দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও আয়বর্ধনমূলক কার্যক্রমের জন্য মূলধন সহায়তা প্রদান করে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বার্ষিক জিডিপিতে অবদান এবং ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখা “পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প-৩য় পর্যায়” এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।